ছোটগল্প

ঈশানকোণ একটি সাহিত্যের ওয়েবজিন গ্রীষ্ম সংখ্যা মে ২০১৭ ইং 

স্বপ্নবৃত্তান্ত
বৈদূর্য্য সরকার


ওদের নিয়মিত দেখা হত। সকালে ভিড় বাসে অফিস যাওয়ার সময় কিংবা বাড়ি ফেরার সময়। মুখচেনা হয়ে গেলে যা হয়— বুঝতে পারার মতো মৃদু হাসি কিংবা তাকানো। পাশে বসলেও সোহম কথা বলার চেষ্টা করেনি কখনও। দু’জনের কানেই থাকতো হেডফোন। ‘কেউই আজকাল কানে সাধারণ কথাবার্তা ঢোকাতে চায় না বলেই ...এত সমস্যা’ ভাবতে ভাবতে সোহম লক্ষ্য করত ওর এফ.এমের ফ্রিকোয়েন্সি ৯২.৭ আর সোহম দাঁড়িয়ে থাকতো ৯৪.৩-এ রেট্রো গানগুলো শোনার জন্য। শুনতে শুনতে বেশ ঢুল আসে ওর।
সোহমকে কোনও সিদ্ধান্ত নিতে হলে ঘুমোতে হয়। সোহম স্বপ্নের পথ ধরেই সব সিদ্ধান্ত নিয়ে আসছে এতদিন। কাউকে ও নিজে থেকে কিছু বলেনি কখনও। কিন্তু ক্রিটিক্যাল সিচ্যুয়েশনে ওকে নিজের মনে বিড়বিড় করতে দেখতো বন্ধুরা। সোহম ছোট থেকেই দেখেছে – পরীক্ষার আগের দিন রাতে ঘুমের মধ্যে যা দেখতো যার অনেকটাই মিলে যেত। টুর্নামেন্টের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগেও পূর্বাভাস পেয়ে যেত স্বপ্নে।
এখনও সোহম যে কেন সবসময় একটা দ্বিধায় ভোগে, কুন্তল ভেবে পায় না। মাঝে মাঝে বিরক্ত লাগে, কিন্তু সোহম যে সবার সাথে নিজেকে মেলাতে পারে না — এই অসহায়তাটা ও বোঝে। স্বপ্নের ভয় যার মধ্যে একবার ঢুকে যায় তার কি বা করার থাকে ! সর্বদা ভয়ে ভয়ে থাকে – ‘কোথা থেকে কি হয়ে যায়’... !
কুন্তলই একমাত্র বন্ধুদের মধ্যে টিকে আছে – সেটা সম্ভবত একপাড়ায় থাকার জন্যই। বারো বছর ‘ রামকৃষ্ণ বিদ্যাপীঠ’র পর, বঙ্গবাসী কলেজ। কুন্তল সেলসের চাকরিতে ঢুকে গেছিল আর সোহম মাস্টার্স করে পাড়ি দিয়েছিল ভিনরাজ্যে। এখন দু’জন একসাথে উল্টোডাঙায় নামে, তারপর কুন্তল ওঠে সেক্টর ফাইভের বাসে আর সোহম ধরে বাইপাসের। রোজ ওরা ফেরার সময় একসাথে ট্রেন ধরে। বেশ কিছুদিন টাইম ঠিক করা আছে— ৭:৩২ । রোজের এই অভ্যেস।
‘মেয়েটা বাইপাসের আশপাশেই কোথাও চাকরি করে, উল্টোডাঙার পরে নামে’ – বলেছিল সোহম। তারপর বলেছিল ‘এটুকু জানা নিয়ে কারুর সাথে কি কথা বলা যায়’... ভেতরের একটা ছটফটানি চেপে রাখার সুযোগে কুন্তল অবশ্য ওকে কথা শোনাতে ছাড়ে না-- ‘সেই কোনকালের কলেজের বান্ধবীর মমি আঁকড়ে পড়ে আছিস...আর সে বাচ্চা মানুষ করছে কোথাও’। সারাদিনের পর এর’ম কথা শুনলে যে কোনও লোকেরই মাথা গরম হয়ে যেত। কিন্তু সোহম অবাক ভঙ্গিতে কুন্তলের দিকে তাকিয়ে থাকল। ওর সত্যিই মনে ছিল না— প্রিয়ার কথা কুন্তলের মতো কেউ কেউ মনে রেখেছে।
সেদিন উল্টোডাঙার সামনে লোক খালি করে যাওয়া একটা বাসে মেয়েটার মুখ যেন উড়ে চলে যেতে দেখল বলে যেন মনে হল সোহমের। কিছু বোঝার আগেই অবশ্য বাসটা বেরিয়ে গেল, ও ক্যাবলার মতো দাঁড়িয়ে থাকল। গরমের এই সন্ধেয় এক ঝলক হাওয়া খেলে গেল। বাড়ি ফেরার সময়ের ভিড়টাকে আর কষ্টকর মনে হল না। ভাগ্যিস তখন কুন্তল সিগারেট টানছিল অন্যদিকে মুখ করে। ট্রেন ধরার দ্রুততায় দৌড়নো লোকজনের কনুইয়ের ধাক্কা পাঁজরে লাগতে নিজের মুখ দিয়ে বেরনো ‘আহ’ শব্দে জ্ঞান ফিরে পেয়ে সোহমও কুন্তলের সাথে চলতে শুরু করে দিল তিন নম্বর প্ল্যাটফর্মের দিকে।

সাতটা থেকেই রোদ্দুর সেখানে। একটা ঝকঝকে অ্যাপার্টমেন্টে জায়গা হয়েছিল সোহমের। সব মিলিয়ে প্রায় চারশো ফ্ল্যাট ছিল ‘অক্ষয়া’তে। গোটা দশেক বিল্ডিং – এ বি সি ...। ও থাকতো এইচ ব্লকে। সামনে ছোট একটা বাচ্চাদের পার্ক, পেছনে লন। পুরোটাই আঁকা ছবির মতো সাজানো। ফ্ল্যাটগুলো বেশ বড়সড় - গেস্টরুম, সারভেন্ট কোয়ার্টার পর্যন্ত অ্যাটাচড। ন’টা দশটার পর থেকে গোটা চত্বরটা শুনশান হয়ে যেত। শীতের ছুটিতে ফ্যান চালিয়ে ঘরে বসে ক্লান্ত হতো সোহম।
মানুষ সেখানে থামতো না। একটু দূরে হাইরোড। প্রায় সমান্তরালে চল গেছে রেললাইন। হাইরোডের ধারে একটা লাল পতাকা সামুদ্রিক হাওয়ায় উড়তে দেখতো সোহম। রোজ রাত্তিরে ওখানে দাঁড়িয়ে দ্রুতগামী যানবাহন দেখে ও নিজেকে বেশ বিষণ্ণ বলে আবিষ্কার করতো, তারপর ক্লান্ত পায়ে ঘরে ফিরে আসতো। সমুদ্র ত্রিশ কিলোমিটার দূরে। তার গন্ধ না পাওয়া গেলেও রাস্তার ধারে সামুদ্রিক মাছ ভেজে বিক্রি হতে দেখতো সোহম।
প্রথম সপ্তাহে অসুবিধা হলেও ক’দিনের মধ্যে সব চেনাজানা হয়ে গেছিল। লোকেরা কেউ কারোর ব্যাপারে উৎসাহ দেখাতো না বলেই বাঁচোয়া, নয়তো সোহমের এই অদ্ভুত কাজকর্মে অনেকেই কৌতূহলী হয়ে উঠতো। প্রথমে নিজেও বুঝতে পারতো না ওর কাজটা আসলে ঠিক কি। সামান্য কিছু ডক্যুমেন্ট আদানপ্রদান করার জন্য ওর মতো একটা নভিস ছেলেকে এখানে এই বিরাট ফ্ল্যাট দিয়ে কোম্পানি রেখেছেই বা কেন!
ইন্টারভিউয়ের দিনটা বেশ স্মরণীয় ছিল ওর কাছে। বিভিন্ন কথাবার্তা বলেছিল ওরা। আগের রাতের স্বপ্নের মতোই কিভাবে আন্দাজে কিছু ফোরকাস্ট মিলিয়ে দিয়েছিল সোহম। চাকরিটাও ও পেয়েছিল বেশ অদ্ভুতভাবেই। অফার লেটার পাওয়ার সময় ওকে বলা হয়েছিল –‘ইনস্ট্রাকশানের বাইরে কিছু করার চেষ্টা করবেন না, বোঝার চেষ্টাও নয়... দেন ইউ উইল বি ইন ট্রাবেল’। শুনে চমকানোর ব্যাপার হলেও এত সহজে চাকরি পাওয়ার উত্তেজনায় সেসব খেয়াল করেনি সোহম।
এখানে এসে ও মিঃ রেড্ডির আন্ডারে। তিনি এই অফিসের চিফ ফিনান্স অফিসার। ওনাকে হেল্প করাটা ওর কাজ হলেও বেশিরভাগ সময়ে কিছু করতে হতো না। নিয়মিত করতে হত যেটা-- মার্কেট বন্ধ হওয়ার পর রিপোর্ট পাঠাতে হত মিঃ পান্ডের কাছে। প্রথম প্রথম বুঝতে না পারলেও আসতে আসতে ও বুঝতে পারছিল পরবর্তী স্ট্রাটেজি সংক্রান্ত কিছু ডেটা থাকতো অথবা কোনও নির্দেশ। জয়েন করার প্রথমেই নির্দেশ এসেছিল—‘অফিসের বাকীদের থেকে আলাদা থাকতে হবে’। পুরো ব্যাপারটাই যেন একটা ধোঁয়াশা। অন্যরাও কোনও কারণে ওকে এড়িয়ে চলত।
একা একা থাকার সময় স্বপ্নের প্রবনতা আরও বেড়েছিল। এই সময়েই কিছু টাকা পয়সা হাতে আসার ফলে এলোমেলো এদিক সেদিক ঘোরাঘুরি করতো সোহম। স্বপ্নের পথনির্দেশে একা এর’ম ঘুরতে ঘুরতে হঠাৎ দেখা হয়েছিল প্রিয়ার সাথে। দু’জনকেই নিয়তি টেনে নিয়ে এসেছিল বোধহয়। আগের বছর ও বিয়ে হয়ে এখানে এসেছে। ওর বর এখানকার বেশ পরিচিত মুখ। মাঝারিমাপের বিজনেসম্যান সেই ভদ্রলোকের সাথে পরে আলাপও হয়েছিল। ওর অফিসের খবরে তিনি বেশ বিস্মিত হয়েছিলেন। বিশেষ করে ওর বস মিঃ রেড্ডির প্রসঙ্গে। তবে কিছুক্ষণের মধ্যে উনি বুঝেছিলেন, সোহম কিছুই না বোঝা একটা লোক। আর কথা না এগোলেও প্রিয়া এগিয়েছিল অনেকটাই ... ক্রমে ঘনিষ্ঠতা বাড়তে লাগল, সোহমেরও তখন ফেরার পথ নেই। সবকিছু যেন ভেসে যেতে লাগলো।
তবে এর মধ্যে কাজের কাজ যেটা হয়েছিল মিঃ রেড্ডির সাথে থাকতে থাকতে ও বেশ কিছুটা বুঝতে শুরু করেছিল পুরো বিজনেস প্রসেসটা। তারপর থেকেই শুরু হল সমস্যা। সোহম বুঝেছিল, জ্ঞানচক্ষু উন্মোচিত হলে মানুষের জীবনে যা নেমে আসে তা হল-- সমস্যা। দু’চারবার মিঃ রেড্ডিকেও অবাক করে দিয়েছিল সোহম। ওনার দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, ফর্মুলা বা মডেলের থেকেও সোহমের ইনটিউশানের অ্যাকুরেসি বেশি হয় কি করে !
সোহম ক্রমশ বুঝতে পারছিল- রেড্ডি বা পান্ডের মতো লোকেরা সুপরিকল্পিত বেশ কিছুদিন ধরে একটা এমন প্ল্যান করছে যাতে শেয়ার মার্কেট হঠাৎ কোলাপ্স করবে। সেই বিপুল অর্থের বিলিব্যবস্থাও হয়ে আছে। এতে মিনিস্ট্রি থেকে শুরু করে ফরেনের বিজনেস হাউসগুলোও জড়িত। সে যদিও এই ষড়যন্ত্রের সামান্য বোরে। তবু একটা অপরাধবোধ কাজ করতে থাকতো। কিন্তু এখানকার কোনও প্রভাবশালী লোককে ও চিনতো না। অনেকবার প্রিয়ার মাধ্যমে ওর বরকে বলতে গিয়েও বলতে পারেনি। যদিও প্রিয়া ততদিনে ওর দাম্পত্য থেকে প্রায় বেরিয়ে আসার পথে।
‘সব বলবো...’ বলার আগেই সেই ভয়ঙ্কর দিনটা চলে এল। প্রিয়ার সাথে আগের রাতের সুখে ও মাঝে মাঝেই কেঁপে উঠেছিল নানারকম অস্পস্ট ছবিতে। ভেতর থেকে কে যেন বলছিল- ‘পালাতে হবে’। সোহমের অ্যাপার্টমেন্টে তার আগের দিন প্রিয়া হঠাৎ এসেছিল বলে ও অফিসে যেতেও পারেনি। সেদিন সকালে কিছুক্ষণের মধ্যে বিভিন্ন উল্টোপাল্টা খবর উড়তে লাগলো দেশ জুড়ে। সেদিন মিঃ রেড্ডিকে ফোনে না পেয়ে-- ‘আপাতত যোগাযোগের উপায় নেই’ বুঝেছিল সোহম। অফিসে গিয়ে দেখলো একটা নোটিশ লটকে অফিস বন্ধ। সোহম দেরি করেনি তারপর – নিজের যা ছিল সেসব নিয়ে কোনোক্রমে বাড়ি ফিরতে পেরেছিল।

সবাই জানতো, মাঝের দু’টো বছর ব্যাঙ্কিং ফিনান্সের কাজকর্ম শিখে সোহম কলকাতায় ফিরেছিল শেয়ার-বন্ড-মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ব্যাপারে রীতিমতো স্পেশালিষ্ট হয়ে। যদিও ন্যাভ ভ্যালু কিংবা স্টকের গতিপ্রকৃতি সামাজিক জীবনে একেবারে না বোঝা একটা ব্যাপার —অন্তত ওদের মফস্বল এলাকার । তাই সোহম ‘কি যেন একটা করে... ভাল কিছুই হবে’-- হয়ে রয়ে গেছে চেনাজানা লোকজনেরা যদিও ওর স্বপ্নে মাঝে মাঝে ফিরে আসে ফেলে আসা জীবনের কথা, কখনও আফসোস হয় কিন্তু কারোর কাছে প্রকাশ করতো না কিছু। সেই দুবছরের ছবি ও যেন মুছে ফেলতে চাইতো জীবন থেকে।
ছোট থেকে একসাথে পড়াশোনা ওঠাবসা খেলাধুলো করে কুন্তল ঠিকঠাক গুছিয়ে ফেলেছে সব। এখন ওর মেয়ের বয়স দু’বছর। অথচ ওর থেকে বেশি মাইনে পেয়েও সোহম যে কেন সংসার জীবনে এর’ম ঘেঁটে গেল তা পাড়াপ্রতিবেশী আত্মীয়স্বজন বন্ধুবান্ধব কেউই ঠিক বুঝে উঠতে পারে না। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে সবার কাছে জবাবদিহি করতে করতে কুন্তলের প্রান ওষ্ঠাগত। পুজোয় সোহমের দিদির বাড়ি যাওয়ার সময় মা একরকম শেষ কথা বলে গেছেন – ‘ বৈশাখের মধ্যেই কিছু করতে হবে’... নয়তো তিনি আর থেকে ওখান থেকে ফিরবেনই না। সেই থেকে বাল্যবন্ধুর মাতৃআজ্ঞার দায় মেটাতে নানা উপায় নেড়েচেড়ে দেখছে কুন্তলরা। অধিকাংশ লোক শুনে অবশ্য হেসে উড়িয়ে দিয়েছে। তবু কুন্তল গোঁ ধরে আছে। যা হবার হোক, এবার একটা হেস্তনেস্ত করে ফেলতেই হবে! সোহমের চোখেও একটা চাপা উত্তেজনা দেখে কুন্তল ভাবতো --এটাই তো স্বাভাবিক। মানুষ শুধু শেয়ার ইক্যুয়িটির হিসেবনিকেশ নিয়ে বাঁচতে পারে নাকি!
যদিও সোহম মুখে বলেছিল – ‘বাসে এর’ম খুচরো ব্যাপার কতই হয়, সেসব আমল দেওয়া এই মধ্য ত্রিশে সম্ভব নয়’ ... শুনে তেলেবেগুনে জ্বলে উঠেছিল কুন্তল -- ‘ন্যাকা চৈতন’। কুন্তল ভাবতো- সোহম বরাবরই একটু আলাভোলা প্রকৃতির, টাকাপয়সার জটিল হিসেব নিকেশের বাইরে ওর বিশেষ কিছু বোঝা হয়ে উঠল না জীবনে। কুন্তল এটাও জানতো না - বেনামী ফেসবুক আইডি থেকে সোহম ওর সাথে নিয়মিত কথা বলে। একটু বয়স হয়ে যাওয়া মেয়েটাও ওকে দায়িত্ব নিতে বলেছে ঘুরিয়েফিরিয়ে বহুবার। স্বপ্নে ঠাই পাওয়া ওই মেয়েটাকে সোহম ধাওয়া করে যে তার পাড়া পর্যন্ত পৌঁছে অনেক খবর সংগ্রহ করেছে – সে ধারণা কুন্তলের ছিল না।

বেশ কয়েকদিনের মতো সে রাতের স্বপ্নেও মেয়েটা ফিরে এল কিন্তু মুখটায় যেন মিশে যাচ্ছিল কান্নাভেজা প্রিয়ার মুখ। এবার স্বপ্ন ওকে বলেনি কি করবে – তবু সোহম প্রথমবারের জন্য নিজে সিদ্ধান্ত নিয়ে পরেরদিন মেয়েটার মুখোমুখি হতে চেয়েছিল। প্রিয়ার স্বামী ক’বছর আগের সেই শেয়ারের ধ্বসের পর থেকে আর উঠে দাঁড়াতে পারেনি। মেয়েটার বাবাকে তখন সুইসাইড করতে হয়েছিল। সোহম মনে করতো- প্রায়শ্চিত্ত করতে হবে ওকে। প্রিয়ার কথা না ভেবেই ও শুধু ভয়ের কারণে সেদিন পালিয়েছিল। তাই আজ ওর সামান্য শক্তিতে সোহম চাইছে মেয়েটাকে নিশ্চয়তা দিতে। কুন্তল এই সিদ্ধান্তে বেশ অবাক ও খুশি হয়ে সেদিন হাফ সি.এল নিয়ে মেয়েটার বাড়ি গেল সোহমের সাথে।
                                                                                                                                     HOME

এই লেখাটা শেয়ার করুন